Thursday, 31 August 2017

টপ্পাইের জন্মদিন

আজ টপ্পাইের জন্মদিন,
বৃষ্টি নাচে তা-ধিন-ধিন ।
আজকে আবার মজার দিন,
বৃষ্টি নাচে তা-ধিন-ধিন ।

~@~
 

আজ কি পরেছে টপ্পাই ?
দেখে আসি চলো ভাই !
মুকুট-ধুতি-পাঞ্জাবি । 
ঠিক তাই! ঠিক তাই !
বাদশাহী নাগরাই । 
ঠিক তাই! ঠিক তাই !



আজ কি পেয়েছে টপ্পাই ? 
 দেখে আসি চলো ভাই !
হরেক রকম উপহার । 
ঠিক তাই! ঠিক তাই !
সাত রাজার রত্ন হার । 
ঠিক তাই! ঠিক তাই !

আজ কি খেয়েছে টপ্পাই ?  
দেখে আসি চলো ভাই !
মাংস পোলাও কালিয়া ।
 
ঠিক তাই! ঠিক তাই !
পায়েস বোঁদে পান্তুয়া ।
ঠিক তাই! ঠিক তাই !
আজ বেজায় খুশি টপ্পাই ।
ঠিক তাই ! ঠিক তাই !
আজ যা ইচ্ছা তাই পায় ! 
ঠিক তাই! ঠিক তাই !

~@~

বাজলো কাঁসর,
বাজলো বাঁশি,
সবার মুখে সাজলো হাসি ।

কেকের গন্ধে ম-ম,
পেটের মধ্যে চোঁ-চোঁ ।

মনোহরা সরভাজা,
পেট পুরে খেয়ে যা ।

সবার আশীষ ওই যে ঝরে,
টপ্পাইের মাথার 'পরে

----
টপ্পাইের জন্যে রইলো বুক ভরা শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা । ওর জীবন আনন্দ, পূর্ণতা ও পবিত্রতায় ভরে উঠুক -- এই কামনা করি ।

--
কৃপা (কাকু/মামা?)

Tuesday, 8 August 2017

বৃষ্টি ও আমি

কলেজ  থেকে
বাড়ি ফেরার পথে
হঠাৎ দেখা হতো তোর সাথে ;
জল-জমা রাস্তায়,
খোলা আকাশের শামিয়ানায়
কত আড্ডা দিতাম তোর সাথে,
কত ফাজলামি, কাদা জলে জল-কেলি;
তোতে ভিজতাম আমি,
আমাতে তুই ।

আসতিস আমার সাথে বাড়ি পর্যন্ত
আবার হারিয়ে যেতিস হঠাৎ,
কিচ্ছুটি না বলে !
আবার দেখা হলে
করতাম কত গোঁসা
কিন্তু একটুও রাগ করতিস না তুই ;
বেয়ারার মতো ঝড়তিস আমার গায়ে ।

ধরতে চাইতাম তোর হাত
পাশ কাটতিস, ফস্কে যেতিস তুই ;
তোর হাসি নূপুর বাজাতো
পাতায় পাতায়, জলে ডোবা পাড়ার মাঠে ;
ওপর দিকে চেয়ে খুঁজতাম তোকে
ঝাপসা করে দিতিস আমায়
কানামাছি খেলতিস আমার সাথে ।

এখন আমার অনেক কাজ
বড্ডো হয়েছি বড়ো !
অনেক মুন্সিয়ানা শিখেছি ,
বোকা বোকা শখগুলো হয়েছে বাস্তুহারা ;
তোর সাথে হয়না কথা ;
শুধু জানলা দিয়ে দেখি তোকে ;
ছেলেবেলার স্বপ্নগুলো খেলা করে আমায় ঘিরে,
হারিয়ে যাস তুই  -- অনেক কাজের  ভিড়ে !

কাজ থেকে বাড়ি  ফেরার  সময়
এক  বেখেয়ালি  লহমায়,
রাস্তার  ল্যাম্প পোস্টের
ওই গলা সোনার আয়নায়
খুঁজি শৈশব;
খুঁজি তোকে;
খুঁজি সেই  হারানো দিনগুলোকে ;
খুঁজি সেই  বাঁধন-ছাড়া  আমি-কে;
জমা  জলে  দেখি
কাগজের  নৌকা
যা  ভরাডুবি  হয়েছে  অনেকদিন
কতকি দ্বায়িত্বের ভারে !

[বিরতি]

আজ আবার খোলা রাস্তায়
আকাশের দিকে চেয়ে আছি ;
আয় নেমে  আয় আর একটিবার
মনের কিউবিকলে ;
ভাসিয়ে দে জমা খরচ,
হিসেব নিকেশ, কর্ম-ব্যস্ত সালতামামি ।

ইস্কুল ফেরত
ভেজা বিকেল
ফিরিয়ে দিয়ে  যা,
বেখেয়ালি অবচেতন
ভরিয়ে  দিয়ে  যা ।

আবার চেনা  খুনসুটিতে
আমায় জাপটে ধর তুই ;
কণায় কণায় পাই তোর  স্নেহ,
আদরে বুলিয়ে দে  মাথা ;
বলি আবার বোজা চোখে
সেই হারিয়ে  যাওয়া  কথা ।


--
কৃপা

Tuesday, 9 May 2017

২৫শে বৈশাখ

তুমি এসেছিলে বৈশাখী হয়ে,
পাপড়িতে রেণুতে স্ফুলিঙ্গ সাজিয়ে,
কাঁকনে নূপুরে প্রেম বাজিয়ে ;
শ্রাবণ হয়ে বিদায় নিলে ।

দিয়েছ প্রাণ ভরে
নিয়েছি সব আঁচল করে ;
-- শৈশব, গাছতলা, চিলেকোঠা
মনের গহিনে রয়েছে জমে ।
জীবনের সালতামামিতে
যখন হিসাব নিকাশ আসে কমে
সব বুকে নি নিবিড় করে ।


কত দোয়াত করেছি খালি
ছেঁড়া কাগজের স্তুপে করেছি জঞ্জাল,
কত অবসরে, খেলার ছলে
হয়েছি তোমারই কাননে বনমালী ।


আঁকড়ে তোমারই কায়া 
বুঝেছি ব্যর্থ হয়ে
হবো না কখনো তুমি ;
তবু পড়ে রবো
তোমার পদ রেনু মেখে
হয়ে তোমারই অচেনা ছায়া ।

গ্রীষ্মের পদ ধ্বনি, ওই শোনা যায়. .আসছে সে আসছে !

প্রকৃতির ভীষণ জ্বর
আসবে বলেছে বাতাস,
পারদ এবার চীল হবে
মাটির দীর্ঘশ্বাস ।


নিঃশ্বাসে বইবে বিষ,
বাসুকির গরম পাশে
হাসবে আনুবিস ।

এই উষ্মা-গরল -- কে করবে পান ?
কে তুমি নীল কণ্ঠ,
শীতল করবে প্রাণ ?

Sunday, 12 March 2017

চান্না মেরেয়া

এবার চলি সখী
শুভেচ্ছায় ভরে রেখো
আমার উল্লেখ-স্বাদ
রসনায় ধরে রেখো
মনের সিন্ধুকেতে
আমার ভালো নাম রেখো 
তারাদের চিঠিতেও
আমার নিয়ে কলাম লিখো
আঁধার তোমার
সব
আপন হলো
আমার
সুখ তারা তোমায়
আমি বিলিয়ে দিলাম
চাঁদ আমারই আমারই
তুমি
আমারই আমারই
চাঁদ আমারই আমারই
ও প্রিয়া
তোমার আসরে তে
যদি নাই থাকি তো
ব্যাথা তো নেই যে
ব্যাথা তো নেই যে
নিবিড় দুজনের
একাকী বলে চলা
কম
কথা  তো নেই  যে
কথা তো নেই যে
কতবার সকালকে  
তোমার আঙিনায় আমি
সাঁঝ করেছি

চাঁদ আমারই আমারই
তুমি
আমারই আমারই
চাঁদ আমারই আমারই
ও প্রিয়া
তোমার ঘর থেকে
মুখ ফিরিয়ে অন্য পথে যাই
চন্দন আমি
সুবাস আমার
তোমার কাছে রেখে চলে যাই
মনের মায়া রেখে
তোমার বালিশের তলে 
বৈরাগীর চাদর মুড়ে
বিদায় নিলাম
আমি গেলাম চলে

চাঁদ আমারই আমারই
তুমি
আমারই আমারই
চাঁদ আমারই আমারই
ও প্রিয়া

শুভ পরিণয়

রাজনীগন্ধার মাতাল নেশায়
মধু সমীরণে বহে,
সুখের প্রাপ্তি আশায়
পরীর দল গাহে ।
বাজে কিন্নর বীণা
দোলে পাপড়ি সমুদয়, 
চাঁদের অমৃত কণা
ঝরে নব-যুগলের গায় ।
রাতের ময়ূর খেলে
আলোর নূপুর পরে,  
প্রণয় প্রদীপ জ্বলে
মরম শান্তি নীড়ে ।
উথলে পরে সুধা
উছলে পরে কেশর,
প্রজাপতির রঙে রাঙা
তোমাদের মিলন বাসর ।।

তোমাদের সুন্দর বিবাহিত জীবন কামনা করি । ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও না যেতে পারায় দুঃখিত ! মা বাবা আজ যাবে ।

--
কৃপা

শুভ নববর্ষ (ইং) ২০১৭

কাল বসন্তের নতুন কুঁড়ি
পাপড়ি মেলে দেখবে
নতুন দিনের আলো;
নতুন রোদের নরম আঁচে
ভোরের পাখির গান কানে নেবে সে,
নতুন বাতাসের স্পন্দন প্রাণে নেবে সে;
সাধ করে রবি ঠাকুরের সুরে সে বলবে
"আমি এসেছি গো,
রুদ্ধ দুয়ার খোলো" ।

কিন্তু
কি দেখবে সে?

ব্রেক্সিট-মুখী "ইউরো ছাড়ো" কুচকাওয়াজ?
কালো পুঁজি নিংড়ে নেওয়ার
নিত্য নতুন রেওয়াজ?

কাঁটা তার ডিঙিয়ে
পড়শির ঘরে ছাই ফেলার নৃত্য?
রক্ত-চোখে জব্দ করার
ক্লান্তিকর ইতিবৃত্ত?

কি শুনবে সে?

উন্নয়নের ভগ্নস্তূপে চাপা
অসহায় নিষ্পাপ প্রশ্বাস?
জীবনান্তের সম্বল আঁখড়াতে
সারিবদ্ধ দীর্ঘ নাভিশ্বাস ?

নাকি দেখবে --

ভেতরের কালির অপসারণ;
মনের শাখে শাখে
বিশ্বাসের স্ফুলিঙ্গ স্থাপন;
অরূপ আলোয় চেতনার মিলন;
ভাবের বাজারে
আপনাকে বিলিয়ে দেওয়ার,
মিলিয়ে দেওয়ার
উৎসব উদযাপন ।


নাকি শুনবে --

ঐকতান;
ক্ষেপা বাউলের দোতারায়
বব ডিলনের তান;
মন্দিরে মন্দিরে, গির্জায়,
মৈত্রীর আজান ।

          ~@~

নতুন বছর আনুক
মুক্ত চিন্তার প্রসার,
নতুন ভরসায়, নতুন নিষ্ঠায়
নতুন কর্ম-তেজের অঙ্গীকার ।

            ~@~

তোমাকে এবং তোমার প্রিয়জনদের জানাই শুভ ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭-এর প্রীতি ও শুভেচ্ছা !

--
কৃপা

Thursday, 1 December 2016

জন্মদিনে কাব্যান্বেষী

আবার এলো এই স্বপ্ন-ঘেরা দিন,
যেদিন, কয়েক বসন্ত আগে,
এক অদৃশ্যপূর্ব লহমায়,
পৃথিবীর আলোর সাথে রুবরু হয়েছিল
কাব্যান্বেষী এলোকেশ (খুদা) বকশ (ই) ।


আশিক সে তবিয়তে,
তার আশিক গুণমুদ্ধ পাঠক, প্রকাশক;
যাঁরা তার ভাবের রঙে রঙিন হন,
তার ক্যালিডোস্কোপে জীবন দেখতে পান,
মুগ্ধ হন মুহুর্মুহু ।


খুদা (বা ভগবান, বা god)-এর যে বখশ, জ্যোতির্ময় উপহার,
বরফ-বন্দি থেকেও যার কলম দানিতে কলামের পর কলাম,
ডুব সাঁতারে যে সূর্যের আলো ভাঙতে দেখে রামধুতে,
ঠিক যেন জমাট বাঁধা একরঙা ভাবগুলো
হরেক রঙের আদরে তুলে আনে
প্যাপিরাসের শরীরে, গিটারের কর্ডে,
কণ্ঠের তরঙ্গে ।


আজ এই দিনে,
কেক পিন্ডে হৃদয়ের গন্ধ পাক সে,
স্কাইপে অচেনা মুখ আরও চিনতে শিখুক সে,
সে যা চায়, তাই হতে পারুক সে ---
~ সুদূরের (কৃপা) বন্ধুর নির্মল কামনা ।। ~

শুভ  জন্মদিন ।।


--

কৃপা

Thursday, 17 November 2016

অন্ত অমিল

অন্ত অমিল
=======

চুঁয়ে পড়া ঘাম;
স্বপ্নের আকাশ ছোঁয়া দর ?
নাকি জাগলো আবার প্রথম রিপু ?

নিঃশাসে বাষ্পিত অবরোধ
মনে রগ্  রগে দ্বিতীয় রিপু !

বুকের পাঁজর বেয়ে ওঠে ক্ষোভ,
আদিম খিদেয় জমাট বাঁধা তৃতীয় রিপু ।

নেশায় স্তিমিত দেহ,
অবশ করা চতুর্থ রিপু ।

উৎরাইয়ের সিঁড়ি বধ,
মাথা ওঁচানো পঞ্চম রিপু ।

পাশের দেয়ালে নিপুণ কারুকার্য,
আমার দেয়ালে  কৈ ?
সবুজ আনলে ধিকি ধিকি জ্বলে শেষ রিপু ।।

বিঃ: দ্রঃ:

অনিচ্ছায় মিল
জমা ক্ষোভ রেখে যায়
কহেন কবি জয় !
আর স্বেচ্ছায় অমিল ?
সেটা কেমন তরো হয় ?
দেখো গো গুণী জন
দেখো দিয়া মন ;
রিপুচক্রে,
হৃদি বক্রে,
স্বেচ্ছায় অমিল
এমন তরো হয় ।

এবার অন্ত মিলনের পালা :
================


চুঁয়ে পড়া ঘাম
স্বপ্নের আকাশ ছোঁয়া দাম ?
নাকি জাগলো আবার কাম ?

নিঃশাসে বাষ্পিত অবরোধ,
মনে রগ্  রগে ক্রোধ !

বুকের পাঁজর বেয়ে ওঠে ক্ষোভ,
আদিম খিদেয় জমাট বাঁধা লোভ ।

নেশায় স্তিমিত দেহ
অবশ করা মোহ ।

উৎরাইয়ের সিঁড়ি বধ
মাথা ওঁচানো মদ । 

পাশের দেয়ালে নিপুণ কারুকার্য,
আমার দেয়ালে  কৈ ?
সবুজ আনলে ধিকি ধিকি জ্বলে মাৎসর্য ।।

==================

জোর করে থামে না গো
সহজ মিলন ধারা,
পুনর্মিলন ঘটলে আবার
হবে বাক্যহারা :-)
পুনশ্চ : ভাবের সাথে সাথে স্বাভাবিক অন্ত মিলন ঘটানো অবশ্যই একটি বিশেষ প্রতিভার সাক্ষ্য রাখে । তবে কেবল মেলাবো বলেই অন্তমিল, তাতেও কাব্যগুণের ক্ষতি । উক্ত প্রচেষ্টা তাঁদেরই জন্যে নিবেদিত যাঁরা যুগ যুগ ধরে ভাবের মিলনে মনের মিলন ঘটিয়ে আসছেন । অন্তমিলনের তাগিদটা নেহাতই ব্যাক্তিগত রুচির ব্যাপার । যুগের হওয়ার প্রশ্রয়ে কারো চেনা ছাঁচ ভেঙে নিরাকারে বিলীন হওয়ার ইচ্ছে-ডানা গজায় । কারো আবার অন্তে মিলনের সিম্ফনি না শুনতে পেলে মন খচ খচ করে । যে যার মতো ভালো থাকুন, নিজের ছন্দে ভাবের সাথে মৌতাত করুন, আমরা তলানির সোমরস টুকু পেলেই খুশি :-)

শুভ বিজয়া

ঢাকের কাঠি চুপ,
কাশের মুখ ভার,
ফাঁকা ঠাকুর দালান,
মা কৈলাশ পথে যান ।

জলে মা মৃন্ময়ী
জ্বলে রূপ চিন্ময়ী,
গোধূলিতে সিঁদুর খেলা
আর চোখের জলে স্নান ।

স্মৃতিটুকু বুকে নিয়ে
আবার দিন গোনার পালা
"আসছে বছর আসবো আবার"
মা তাই বলে যান ।।
শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাই ।

শুভ সপ্তমী

সাতের সুর বাহার
সাত রঙা রামধনুর হার ;
সাত পাকের আগে পরে
ঠাকুর দেখা ক-বার ?

সাত মহাদেশ ঘুরে
এজেন্ট 007 করে সাত আশ্চর্য সন্ধান ;
সপ্তমীর দিন প্যান্ডেলে গায়
'সাত সমুন্দর' গান ।

নতুন জামা জুতো পরে
snow white আর seven dwarfs
seven samurai সঙে ঘোরে ইতি উতি ;
seven deadly sins জয়ে
সপ্ত ঋষি মিলে গায় দেবীর স্তুতি ।

খুনসুটি ফাজলামি
গোপন প্রেম নিবেদন ;
সাতে পাঁচে মিলে মিশে
শারদীয়ার সাত কাহন ।

সপ্তমীতে ,
ঢাকের তালে তালে,
মা হৃদয় জুড়ে শক্তি রূপেণ, শান্তি রূপেণ সংস্থিতা ;
নমস তৎসই নমস তৎসই নমস তৎসই নমঃ নামাহঃ । ।

মহা সপ্তমীর  প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই  ।

Saturday, 6 August 2016

শ্রাবণ

খোলা জানলায় এলো
শ্রাবণের ভেজা দিন ।
ধূসর চোখের কাঁচ,
ধূলো জমা দূরবীন ।
প্রথম দেখার বিদ্যুৎ,    
আর ব্যস্ত সর-জমিন ।

ডাইরির শেষ পাতে
আজও আধ মোছা নাম লেখা আছে ।

কাক ভেজা রেনকোটে
ভিজতো যে উত্তাপ ।
টুপ্ টাপ ঝির ঝির
ভিজতো উষ্ণ চায়ের কাপ ।
ভরা পার্কের বেঞ্চ
আর দুজনের টিফিন ।

পার্কের সেই সীটে
আজও আধ ভেজা নাম জেগে আছে |

বয়ে যায় স্মৃতি কণা
কাল কেউটের ফণা !
একলা পার্কের বেঞ্চ
না খাওয়া টিফিন ।
ফাঁকা ঝিলের পার
আর ছকে বাঁধা রুটিন ।

তবু বিকেলের হাওয়ায়
কোন পাখি বলে যায়,
শ্রাবণের রিমঝিমে,
আজও আধ ভোলা নাম বেঁচে আছে ।

বিদায় দীপাদি !!

এতদিন ধরে ছিলে তুমি ওগো

ল্যাব আলো করে,
রেখেছিলে মোদের
সোহাগে আদরে
তোমার মমতা নীড়ে ।

এখন
থাকবে না তুমি, ল্যাব খানি তোমার
হবে গো অনাথ, হবে গো ফাঁকা !!
তোমার মধুর হাসিখানি মোদের
হৃদয়ে রবে গো আঁকা ।

তবু তোমার কীর্তি-খানি
হউক সমুজ্জ্বল
এই কামনাই বুকে করে মোরা
মুছবো চোখের জল ।।

--
তোমার স্নেহধন্য
কৃপা